পুরো প্রজেক্ট আমাদের হাতে ছেড়ে দিন, অথবা আপনি যেখানে আছেন, সেখান থেকেই আমরা শুরু করব।
আমরা ডিজাইন করি
প্রোটোকল, মেথডোলজি, স্যাম্পল সাইজ আর এথিক্স সাবমিশন।
আমরা অ্যানালাইসিস করি
SPSS, STATA বা R দিয়ে অ্যানালাইসিস, সাথে টেবিল, ফিগার আর তার ব্যাখ্যা।
আমরা লিখি
থিসিস, ম্যানুস্ক্রিপ্ট আর কেস রিপোর্ট, কলেজ বা জার্নালের নিয়ম মেনে ফরম্যাট করা।
আমরা সাবমিট করি
পাবলিশ করাই লক্ষ্য হলে জার্নাল বাছাই, সাবমিশন আর রিভিউয়ারদের উত্তর।
টপিক বাছাই থেকে কাজ বুঝিয়ে দেওয়া পর্যন্ত
আপনার মেজর, কোন বিষয়ে আগ্রহ আর কবে জমা দিতে হবে, এসব নিয়ে আমাদের টিমের সাথে কথা।
আপনার ডিগ্রির সাথে মেলে আর সুপারভাইজারও রাজি হবেন, এমন একটা টপিক ঠিক করা।
পুরো প্রোটোকল: উদ্দেশ্য, মেথডোলজি, স্যাম্পল সাইজ আর এথিক্সের কাগজপত্র।
আপনার আর আপনার সুপারভাইজারের মধ্যে
আপনি প্রোটোকলটা সুপারভাইজারের কাছে নিয়ে গিয়ে অ্যাপ্রুভ করিয়ে নেন।
কালেকশন শুরুর আগেই স্টাডিতে কোন কোন ডেটা লাগবে, সেটা ঠিক করে নেওয়া।
আমাদের নিজেদের টিম ডেটা কালেক্ট করে, আর এর মধ্যেই ইন্ট্রোডাকশন আর ব্যাকগ্রাউন্ড লেখা চলতে থাকে।
SPSS, STATA বা R দিয়ে অ্যানালাইসিস।
আপনার আর আপনার সুপারভাইজারের মধ্যে
রেজাল্ট টেবিলে দেখাবেন না চার্টে, আর কোন স্ট্যাটিস্টিক্যাল টেস্ট চলবে, এটা আপনি সুপারভাইজারের সাথে ঠিক করে নেন।
মেথডস, রেজাল্টস আর ডিসকাশন লেখা, তারপর সব অংশ একসাথে গুছিয়ে নেওয়া।
পুরো থিসিসটা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আরেকবার দেখে নেওয়া।
সব শেষ, রিভিউ করা, জমা দেওয়ার জন্য একদম তৈরি।
আমরা চেষ্টা করি প্রথমবারেই অ্যাপ্রুভাল পেতে। আর সুপারভাইজার কিছু বদলাতে বললে, সেটা কোনো বাড়তি খরচ ছাড়াই করে দিই।